রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
আফ্রিকায় টানা ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক মানুষের মৃত্যু ফ্যাসিবাদের সময় যারা খুন-গুমের শিকার হয়েছেন তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেব না: তারেক রহমান কেরানীগঞ্জে মা-মেয়ে খুন: ঋণের কিস্তি নিয়ে বিরোধে হত্যাকাণ্ডের পর ২১ দিন লাশ দুটি ফ্ল্যাটে রেখে বসবাস “মাদক ধরলেই আপনি বাধা দেন” কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতার সঙ্গে ডিবি পুলিশের বাকবিতণ্ডা দেশে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তনের কথা জানাল ইসি মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি প্রার্থিতা ফিরে পেতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানি চলছে পাকিস্তানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খালে, একই পরিবারের ১৪ জন নিহত

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৮ মাস পর স্কুল-কলেজ খুলেছে। তবে অনুপস্থিতি বা ড্রপ আউটের চিত্র উদ্বেগজনক। এ অবস্থায় স্কুলের উপস্থিতি বাড়াতে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

এসব নির্দেশনার মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি বাড়ানো ও পড়ার ঘাটতি পূরণে শিক্ষকদের কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ নির্দেশনা জারি করা হয়। নতুন নির্দেশনা ঠিক মতো বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা দেখভাল করতে আলাদা আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

এর জন্য সকল বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১১ দফা নির্দেশনা
১। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্ট্রারে সংরক্ষণ করতে হবে। তাতে শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণি, রোল, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, কী কারণে অনুপস্থিত, গৃহীত পদক্ষেপসহ অন্যান্য বিষয় উল্লেখ থাকবে।

২। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করবেন শিক্ষকরা। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে হোম ভিজিট করতে হবে।

৩। প্রতিটি বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির (শ্রেণিভিত্তিক) হার নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। উপস্থিতির ঘাটতি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

৪। কোভিড-১৯ প্রভাবজনিত শিখন ঘাটতি পূরণে শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীদের পারঙ্গমতা যাচাই করে বিভিন্ন দলে ভাগ করে শ্রেণিশিক্ষক ও বিষয় শিক্ষকদের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড নির্দেশিত পাঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

৫। অনলাইন ক্লাস চলমান থাকবে। সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সম্প্রচারিত ‘ঘরে বসে শিখি’র পাঠদান কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে।

৬। বিদ্যালয়ের বিষয় শিক্ষক ও শ্রেণি শিক্ষকরা শ্রেণিভিত্তিক প্রতিটি শিশুর শিখন যোগ্যতার প্রোফাইল (শিখন ঘাটতি পরিস্থিতি) প্রণয়ন করে এ সম্পর্কিত অগ্রগতির রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন।

৭। শিক্ষার্থীর ধারাবাহিক মূল্যায়নে শ্রেণির কাজ, বাড়ির কাজ (ওয়ার্ক শিট) যাচাইকরণে একই শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঘাটতি নিরূপণে শিক্ষকদের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

৮। প্রধান শিক্ষক, শ্রেণি শিক্ষক, বিষয় শিক্ষক এবং কর্মচারীদের শিক্ষার্থীদের মনো-সামাজিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করে সহনশীল ও মানবিক আচরণ করতে হবে।

৯। প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রতিদিন ২টি শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রুটিন অনুযায়ী যেসকল শিক্ষকের পাঠদান কার্যক্রম থাকবে না তারা বিদ্যালয়ে বসে অবশিষ্ট ৩টি শ্রেণির জন্য গুগল মিট-এ (যেখানে সম্ভব) কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

১০। মাঠপর্যায়ের প্রত্যেক মেন্টরকে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ থেকে প্রেরিত মেন্টরিং গাইডলাইন (মেন্টরদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সংক্রান্ত) ও মেন্টরিং টুলস অনুসরণ করে নিজ দায়িত্ব পালনে সচেতন হতে হবে।

১১। সকল ক্ষেত্রে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com